গত বছর ঘরোয়াতে লাল বলের ক্রিকেটে কোকাবুরা বলে খেলেছিলেন ক্রিকেটাররা। তবে জাতীয় ক্রিকেট লিগের দুই রাউন্ড পরেই আবার ডিউক ফিরেছিল। তবে এই মৌসুমের পুরোটা সময় খেলা হবে কোকাবুরা বলে। এ কারণে বোলারদের থেকে ব্যাটাররা একটু বাড়তি সুবিধা পাবেন, আর বোলারদের জন্য চ্যালেঞ্জিং সময় কাটবে।
ঢাকা বিভাগের কোচ মিজানুর রহমান বাবুল বলছিলেন, ‘কোকাবুরা আমাদের কাছে একেবারে অপরিচিত বল নয়। কিন্তু আমার মনে হয়েছে, তারা এখানে একটা পূর্বধারণা নিয়ে এসেছিল যে ডিউকের চেয়ে কোকাবুরায় তাদের সাফল্যের হার বেশি হবে। তাই বিশেষ করে পেস বোলারদের মধ্যে একটা মানসিকতা ছিল যে, এই বলে তারা অনেক উইকেট পাবে। কারণ শেষ পর্যন্ত দুই বলের বৈশিষ্ট্য আলাদা।’
কোকাবুরা বলে মানিয়ে নেওয়া নিয়ে বাবুল বলেন, ‘তবে তাদের মানিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা দেখে খুবই ভালো লেগেছে। প্রথম সেশনে হয়তো তারা বুঝতে পারেনি, কিন্তু দ্বিতীয় সেশনে নিজেদের মানিয়ে নিয়ে দারুণ জায়গায় বোলিং করেছে। যারা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে, তাদের জন্য এই মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
রাজিন সালেহ বলছিলেন, ‘ডিউকে তারা হয়তো বেশি সুইং ও এজ পাওয়ার সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে গেছে। কিন্তু কোকাবুরায় বেশি পরিশ্রম করতে হয়। আমার মনে হয়, এক-দুই ম্যাচ পর বোলাররা ধীরে ধীরে মানিয়ে নেবে।’
মন্তব্য করুন