নিজস্ব প্রতিবেদক :
উত্তরখান থানার ৪৬ নং ওয়ার্ড মুন্ডার
মোক্তার মার্কেট এলাকায় এম এ মালেককে ঘিরে উত্তেজনা ও গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। এঘটনায় স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, ১৫ মে ২০২৬ ইং তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে ইনভাইট গ্রুপ অব কোম্পানির একটি প্রকল্প এলাকায় সরকারি খাল ও ইনভাইট কোম্পানির নিজস্ব জমি জোরপূর্বক ভরাটের চেষ্টা করেন এমএ মালেক। এম এ মালেক ইনভাইট কোম্পানির জমি দখলের উদ্দেশ্যে এলাকায় একটি বেকু (এক্সকাভেটর) নিয়ে প্রবেশ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই দিন এম এ মালেক ও তার সহযোগীরা দুইজনকে মারধর করে আহত করেন বলেও জানা যায়। এ ঘটনার পর পর উত্তরখান থানা পুলিশে সহযোগিতায় উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ সেখান থেকে তাকে পূর্বের মামলার গ্রেফতারের সুত্র ধরে তাকে নিয়ে যায়।
স্থানীয়রা জানান,
জামিনে মুক্ত হয়ে এম এ মালেক ইনভাইট কম্পানীর লোকজনকে ভয়ভীতি ও অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন।
এর ধারাবাহিকতায় ১৭ মে সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে মোক্তার মার্কেট এলাকায় পুনরায় এম এ মালেকের উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই সময় তিনি কিছু লোকজনের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন এবং এক ব্যক্তিকে মারধরের চেষ্টা করেন। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ আরও বেড়ে যায়।
পরবর্তীতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে স্থানীয় সাধারণ মানুষ তাকে গণপিটুনি দেয় বলে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, সরকারি খাল ও মানুষের জমি দখল এবং বালু ভরাটকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় উত্তেজনা চলছিল এবং এম এ মালেক স্থানীয়দের কাছে ‘মামলাবাজ’ ও ‘দখলবাজ’ হিসেবে পরিচিত বলেও জানা যায়।
স্থানীয়দের আরও দাবি, ১৫ মে বালু ভরাট ও জমি দখলের ঘটনাকে কেন্দ্র করেই পরবর্তী দুই দিনের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায় এবং ১৭ মে মোক্তার মার্কেটে এ সংঘর্ষ ও গণপিটুনির ঘটনা ঘটে।
এদিকে ঘটনার সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নিয়ে উত্তরখান থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন,মারামারির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। তিনি আরো জানান,মারামারি সুত্র এখনো জানা যায় নি। এ ছাড়াও এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কেউ থানায় এসে অভিযোগ করেন নি।
মন্তব্য করুন