৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অংশগ্রহণে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার (৭ নভেম্বর) কেন্দুয়া উপজেলা পরিষদের হলরুমে উপজেলা প্রশাসন, কেন্দুয়া, নেত্রকোনার আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সানজিদা চৌধুরী।
সভায় উপস্থিত ছিলেন সহকারী ভুমি কর্মকর্তা নাইমুল ইসলাম চৌধুরী, কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম, কেন্দুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি জয়নাল আবেদিন, কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সভাপতি, খোকন আহমেদ ডিলার, কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন খান, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক, সাংগঠনিক সম্পাদক জসীমউদ্দিন আহমেদ খোকন, কেন্দুয়া পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আহমেদ হিলালী (ইমন), কেন্দুয়া উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব আতাউল হক মিন্টু, কেন্দুয়া উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাইল সেলিম এবং মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম।
এছাড়াও সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, জাতীয় জীবনে এ দিনের গুরুত্ব, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঐক্য এবং জাতীয় সংহতির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামরিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ওই দিন সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা ও রাজনৈতিক সংকটের প্রেক্ষাপটে সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। এ সময় তৎকালীন সেনাপ্রধান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক, সেক্টর কমান্ডার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দিত্ব থেকে মুক্ত করা হয়। পরবর্তী সময়ে তিনি দেশের রাষ্ট্রীয় নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে দিনটি স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, জাতীয় ঐক্য ও সংহতির আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখতে জাতীয় ঐক্য ও পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রাখার প্রত্যয় নিয়ে সভাটি শেষ হয়।
মন্তব্য করুন