মোশাররফ হোসেন, বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার পাল্টাপুর ইউনিয়নের অন্তর্গত ঘোড়াবান এলাকার বাসিন্দা ও সাবেক মেম্বার মরহুম আফজাল হোসেনের কন্যা আফরুন্নাহার অভিযোগ করে জানান তার পিতার নামীয় সনকা মৌজার ১৫০ দাগের ৮৯ শতাংশ ভোগদখলীয় নিষ্কণ্টক জমির অংশীদার।
উক্ত জমিতে একযুগের অধিক সময় কালের মূল্যবান বনজ বৃক্ষের বাগান রয়েছে।
ওই বাগানসহ জমি অবৈধভাবে জবর দখল করার উদ্দেশ্যে একশ্রেণীর আদিবাসী ধর্মান্তরিত খ্রিস্টান টাউটের দল জাদব কিসকুর ছেলে মানু কিসকু, মৃত নিমু মর্মু ছেলে অন্তনি মুর্মু, মৃত্যু মঙ্গল মুর্মুর ছেলে পিউস মুর্মু, মারকুস কিসকুর ছেলে নির্মল কিসকু সহ ১০/১২ জনের একটি দল সংঘবদ্ধ হয়ে ৫ অক্টোবর দিবাগত রাতে ঐ বাগানের ২ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ১০/১২ টি ইউক্লিপ্টার গাছ কেটে ফেলে।
পরদিন ৬ অক্টোবর সকালে বেশ কয়েকটি ভ্যানযোগে বীরগঞ্জ ও ১৩ মাইল গড়েয়ায় বিক্রির জন্য নিয়ে গেলে বীরগঞ্জের আজাদ ‘স’ মিলের গাছগুলি আটক করে থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে।
গাছগুলো শরীফ মেম্বারের হেফাজতে রয়েছে। ১৩ মাইল গড়েয়ার ভ্যানগুলো পাওয়া যায়নি।
কর্তনকৃত গাছের সমুদয় জ্বালানি (খড়ি) গুলো ৯ অক্টোবর শুক্রবার ৫/৭টি ভ্যানযোগে সনকা বাজারে বিক্রি উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে তার ভাই রেজাউল ইসলাম ও এরশাদ দেখতে পেয়ে গ্রাম পুলিশের সহায়তায় খড়ি বোঝাই ভ্যানগুলো আটক এবং ইউনিয়ন পরিষদে জমা করা হয়েছে।
অভিযোগকারী জানান সংঘবদ্ধ চোরের দল একই ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং বাগানের পাশেই বসবাস বিধায় দিনে ও রাতে তাদের বাগানের ব্যপক ক্ষতিসাধন করে চলেছে।
এতদ্ব সংক্রান্ত মালিকানার স্বপক্ষে দলিল দস্তাবেজ তথা কাগজপত্র বিহীন গায়ের জোরে বিবাদ সৃষ্টির ফলে থানায় অভিযোগ ছাড়াও ফৌজদারি ও সিভিল আদালতে কয়েকটি মামলা চলমান। মামলায় নিশ্চিত পরাজয় বুঝতে পেরে তারা গাছ চুরির পথ বেছে নিয়েছে।
আফরুন্নাহার তাদের বাগানের চোরাই গাছ আটক করে থানায় এবং জ্বালানি (খড়ি):আটক করে পাল্টাপুর ইউনিয়ন পরিষদে পৃথক পৃথক লিখিত অভিযোগ দিয়ে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবী করেছেন।
এ ব্যপারে ইউপি সদস্য এবং কাঠ ব্যবসায়ী শরীফের সাথে কথা হলে তিনি বলেন কর্তনকৃত গাছের ২১টি পিচ কাঠ আমার জিম্মায় রয়েছে তবে খড়ি সম্পর্কে কিছুই জানিনা।
পাল্টাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলাম অভিযোগ প্রাপ্তি ও বিতর্কিত খড়ি পরিষদের হাওলায় রয়েছে মর্মে নিশ্চিত করেছেন।
মন্তব্য করুন