সকালের ব্যস্ততায় ঘর গোছাতে অনেকেই হিমশিম খেয়ে যান। তাড়াহুড়ো করে অফিসের জন্য রেডি হতে গিয়ে ঘরটাই গোছানো হয় না। অথচ মাত্র ১৫ মিনিট সময় দিলেই ঘরকে রাখা যায় পরিপাটি ও স্বস্তিদায়ক। দরকার শুধু একটু কৌশল, সঠিক পরিকল্পনা আর একটু সচেতনতা।
১৫ মিনিটকে তিনটি ধাপে ভাগ করুন।
প্রতি ধাপে ৫ মিনিট।
এতে করে কাজগুলো গুছিয়ে করা সহজ হয় এবং একসঙ্গে সব কিছু করতে গিয়ে চাপ লাগে না। চাইলে মোবাইলে টাইমার সেট করে নিতে পারেন। এতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার একটা মানসিক তাগিদ তৈরি হয়, যা আপনাকে আরও কার্যকর করে তুলবে।
প্রথম ৫ মিনিট
প্রথমেই বিছানা গুছিয়ে নিন। ছড়িয়ে থাকা কাপড় নির্দিষ্ট জায়গায় রাখুন, টেবিলের ওপরের অপ্রয়োজনীয় জিনিস সরিয়ে ফেলুন। লিভিং স্পেসে পড়ে থাকা বই, চার্জার বা ছোটোখাটো জিনিস দ্রুত জায়গামতো রেখে দিন। এই ছোট ছোট কাজগুলো মুহূর্তেই ঘরের চেহারা বদলে দেয়। মনে হবে, অর্ধেক কাজ শেষ হয়ে গেছে।
পরের ৫ মিনিট
এবার ঝটপট মেঝে ঝাড়ু দিন বা ভ্যাকুয়াম করুন। রান্নাঘরের সিংকে জমে থাকা থালা-বাসন ধুয়ে ফেলুন, বাথরুম থাকা এলো মেলো বালতি নির্দিষ্ট জায়গায় রাখুন। ডাস্টবিন ভর্তি থাকলে সেটিও খালি করে দিন। পুরোপুরি নিখুঁত হওয়ার দরকার নেই। পরিচ্ছন্নতার একটি প্রাথমিক অবস্থা তৈরি করাই লক্ষ্য, যাতে ফিরে এসে বিশৃঙ্খলা না লাগে।
শেষ ৫ মিনিট
দরজা-জানালা খুলে দিন, যাতে তাজা বাতাস ঢুকতে পারে। চাইলে হালকা সুগন্ধি স্প্রে করতে পারেন। সোফার কুশন ঠিক করে দিন, ডাইনিং টেবিলটা গুছিয়ে রাখুন। এমনকি একটি ছোট গাছ বা ফুলের উপস্থিতিও ঘরের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলতে পারে।
ছোট কৌশল, বড় ফল
কিছু স্মার্ট কৌশল ব্যবহার করলে কাজ আরও দ্রুত হয়। যেমন- যে জিনিস যেখান থেকে নিয়েছেন সেটা সবসময় একই জায়গায় রাখা। এই নিয়ম মানলে অপ্রয়োজনীয় কাজ কমে। আবার ঘরে অতিরিক্ত জিনিস না জমিয়ে মিনিমাল রাখার চেষ্টা করলে পরিষ্কার করাও সহজ হয়। প্রয়োজনে পরিবারের অন্য সদস্যদেরও ছোট ছোট দায়িত্ব ভাগ করে দিতে পারেন।
মন্তব্য করুন