প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে ধর্ম-বর্ণ ও পরিচয় মানুষের অধিকার ও সুযোগের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। দেশের প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য বলে জানান তিনি। বুধবার বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এ সময় হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীকে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানান। প্রধানমন্ত্রী শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে হিন্দু ধর্মালম্বীদের শুভেচ্ছা জানান এবং কঠিন চীবর দান উপলক্ষ্যে বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের শুভেচ্ছা জানান। একই সঙ্গে তিনি দেশের সকল নাগরিকের শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেন। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে সরকারি ছুটি বাড়ানোয় হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান।
পরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকে ৫ কোটি টাকা এবং বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষ্যে ৩ কোটি টাকা বরাদ্দের চেক হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী। হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট ৪ কোটি টাকা অনুদান চাইলে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ বিবেচনায় ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেন। অন্যদিকে কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানের জন্য বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট ২ কোটি টাকা চাইলে ৩ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। বরাদ্দের অর্থ হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট ও জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সরাসরি উপকারভোগীদের ব্যাংক হিসাবে পৌঁছে দেওয়া হবে।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, সংসদ সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী ও মিস সুবর্ণা ঠাকুর শিকদার উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও তপন চন্দ্র মজুমদার, দেবেন্দ্র নাথ উরাঁও, সন্তোষ শর্মা, অমলেন্দু দাস অপু এবং সুশীল চন্দ্র বড়ুয়াসহ কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন। ঢাকা, ৭ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে এই মতবিনিময় সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
মন্তব্য করুন