সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার বিনসাড়া এলাকার ‘জামিয়া ইসলামিয়া তাহফিজুল কুরআন বালিকা মাদ্রাসা’র প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আলহাজ্ব মাওলানা মোঃ আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে উক্ত মাদ্রাসারই এক শিক্ষিকাকে অনৈতিক সম্পর্কের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা এই গুরুতর অভিযোগটিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব মাওলানা আব্দুল মালেক।
বিষয়টি নিয়ে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হলে মুখ খোলেন অভিযুক্ত মাদ্রাসা পরিচালক আলহাজ্ব আব্দুল মালেক। তিনি সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে একে তার ও মাদ্রাসার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র বলে আখ্যায়িত করেছেন।
যে মেয়েটিকে (শিক্ষিকা) কেন্দ্র করে এই ধরনের নোংরা কথা ছড়ানো হচ্ছে, তিনি আসলে আমার আইনসম্মত ও বিবাহিত স্ত্রী। আমার বিরুদ্ধে যে নিউজ বা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। মূলত একটি মহল ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে আমার এই দ্বীনি মাদ্রাসাটি বন্ধ করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে।”
”মাদ্রাসার শৃঙ্খলা ও নিয়ম ভঙ্গ করার কারণে কিছুদিন আগে এক শিক্ষিকাকে মাদ্রাসা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছিল। বহিষ্কৃত হওয়ার পর থেকেই তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে আমার এবং মাদ্রাসার সুনাম ক্ষুণ্ণ করতে নানারকম অপপ্রচার ও চরিত্রহননের চেষ্টা চালাচ্ছেন।”
মন্তব্য করুন