মীম আক্তার :
আট দিনের জাপান সফর শেষে দেশে ফিরে বিরোধী দলের এক শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন, জাপানের সঙ্গে স্কিল ডেভেলপমেন্ট, শহুরে অবকাঠামো ও ক্যান্সার হাসপাতাল স্থাপনসহ বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ দেখতে যাওয়ার কথাও জানান তিনি।
তিনি বলেন, “আট দিন জাপানে ছিলাম। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাইস মিনিস্টারের সাথে আলোচনা করেছি। ৭২ সালের ১ জুলাই তারা বাংলাদেশে এম্ব্যাসি স্থাপন করে। তখন থেকেই তারা বাংলাদেশের সাথে কাজ করে যাচ্ছে। দুটি দেশ আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে, এটাই ছিল মূল আলোচনা।
স্কিল ডেভেলপমেন্ট নিয়ে আলোচনার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি জানান, জাপান সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। সফরকালে ছয় দিনই ভূমিকম্পের মুখোমুখি হওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, “তাদের কাছে এ ব্যাপারে জানতে চেয়েছি। শহুরে অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে।”
জাপানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের চাওয়া-পাওয়ার খোঁজ নিয়েছেন জানিয়ে তিনি বলেন, “জাপানের সব সংস্থাই আন্তরিক সহযোগিতা করেছে। বাংলাদেশ নিয়ে তাদের অনেক প্রত্যাশা আছে।
ক্যান্সার হাসপাতালের প্রস্তাব
দেশে বিপুলসংখ্যক ক্যান্সার রোগীর প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, “আলোচনায় এসেছে দেশে থাকা বিপুলসংখ্যক ক্যান্সার রোগীর কথা। বিনিয়োগের ভিত্তিতে বা অন্যভাবে হলেও তারা যেন এদেশে একটা ক্যান্সার হাসপাতাল বা ইনস্টিটিউট করে। তারা এটি বিবেচনায় নিয়েছে। আশা করি এই প্রস্তাব ইতিবাচকভাবেই আগাবে।
থাইল্যান্ড সফরের বিষয়ে তিনি জানান, “থাইল্যান্ড গিয়েছিলাম। সেখানে অনেক জুলাই যোদ্ধা চিকিৎসা নিচ্ছে। মানবতার জায়গা থেকে তাদের দেখতে গিয়েছিলাম।”
তিনি বলেন, আহতদের চিকিৎসা ও কাউন্সেলিংয়ের জন্য সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে। সেখানকার চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার অনুরোধ করেছেন।
তিনি আরও জানান, তিনজন রোগী রয়েছেন যাদের থাইল্যান্ডে চিকিৎসা সম্ভব নয়, সিঙ্গাপুর নিতে হবে। এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা হবে।
দায়িত্বশীল বিরোধী দলের ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “দায়িত্বশীল বিরোধী দল হিসেবে সরকারকে লাইনে রাখবো, ভুল সিদ্ধান্ত নিলে প্রয়োজনে প্রতিরোধ করবো।”
আহতদের দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, “আহতদের জোরালো দাবি ছিল গণভোটের রায়, জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা।”
ভারত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ভারতের বিষয়ে পর্যবেক্ষণ করছি। পরে এ ব্যাপারে আমাদের মন্তব্য জানাবো।
মন্তব্য করুন