(নীলফামারী) প্রতিনিধি:
নীলফামারীর ডিমলায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে মানহানির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিকার ও বিচারের দাবিতে ডিমলা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এক বাবা। অভিযোগে প্রতিবেশী পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও চার থেকে পাঁচজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগকারী মো. ওসমান গনি (৪২) উপজেলার ছোটখাতা গ্রামের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তরা হলেন একই গ্রামের মো. মশিউর রহমান (৪৩), তাঁর ছেলে মো. সাগর ইসলাম (২১), মোছা. সেলিনা বেগম (৪০), মোছা. মেরিনা বেগম (৩৫) ও মোছা. শাহের বানু (৪০)। অভিযুক্ত মশিউর রহমানের ছোটখাতা বটতলী বাজারে একটি মুদি ও বিকাশের দোকান রয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্তদের সঙ্গে ওসমান গনির পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ও মনোমালিন্য চলে আসছিল। এর জেরে গত ১২ অক্টোবর সাগর ইসলাম তাঁর ‘Sagar Sarker’ নামের ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে দাবি করেন, ওসমান গনির ছেলে মো. মোস্তাকিম ইসলাম তাঁদের দোকান থেকে বিকাশ ও নগদের টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
অভিযোগকারীর ভাষ্য অনুযায়ী, ওই লাইভের ভিডিও ও মোস্তাকিমের ছবি ব্যবহার করে পরে একটি অনলাইন পোর্টালে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। এ ছাড়া ‘NBP NEWS’ নামের আরেকটি ফেসবুক আইডি থেকে মোস্তাকিমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও প্রচার করা হয়।
ওসমান গনির অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব প্রচারণার কারণে তাঁর ছেলের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং তাঁদের পরিবার বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছে। বিষয়টি নিয়ে তাঁরা গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করেন। পরে পরিবারের সদস্যদের পরামর্শে ঘটনার প্রতিকার চেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন তিনি। অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত মশিউর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাঁর ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেন, “লিখিত অভিযোগের বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে তদন্ত করা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
মন্তব্য করুন