স্পোর্টস ডেস্ক:
বিশ্ব ক্রিকেটে আধুনিক ফিটনেসের কথা উঠলেই সবার আগে যে নামটি ভেসে ওঠে, তিনি ভারতের তারকা ব্যাটার বিরাট কোহলি। আজ যিনি তরুণ অ্যাথলেটদের জন্য ফিটনেসের অনুকরণীয় প্রতীক, তাঁর এই রূপান্তরের সূচনা কিন্তু এক রাতে, একটি ভারী নৈশভোজের পর। সম্প্রতি সেই চমকপ্রদ স্মৃতি তুলে ধরেছেন ক্রিকেট ঈশ্বর শচীন টেন্ডুলকার।
ঘটনাটি ২০১১ সালের অস্ট্রেলিয়া সফরের। ক্যানবেরায় ভারতীয় দল অবস্থানকালীন শচীন টেন্ডুলকার ও তরুণ বিরাট কোহলি প্রায়শই স্থানীয় একটি থাই রেস্তোরাঁয় নৈশভোজ করতেন। একদিন ভারী খাবার খাওয়ার পর টিম হোটেলে হেঁটে ফেরার পথে আবেগঘন হয়ে পড়েন কোহলি। সিনিয়র সতীর্থ শচীনকে উদ্দেশ্য করে হঠাৎই তিনি বলে ওঠেন, “পাজজি, অনেক হয়েছে! এবার থেকে আমাকে ফিটনেসে কঠোর নজর দিতে হবে।”
সেই এক রাতের সিদ্ধান্তই বদলে দেয় কোহলির ক্যারিয়ার ও জীবনধারা। ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) শেয়ার করা এক ভিডিওতে শচীন স্মৃতিচারণ করে বলেন, “ওই সন্ধ্যার কথা আমার স্পষ্ট মনে আছে। তুমি সেদিন যে প্রতিজ্ঞা করেছিলে, তা বাস্তবে রূপ দিতে কোনো খামতি রাখোনি। ক্রিকেটীয় পরিসংখ্যানের গল্প তো সবারই জানা, কিন্তু ফিটনেসের দিক থেকে তুমি নিজেকে যেভাবে বদলেছ এবং পরবর্তী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছ, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।”
পুষ্টিবিদদের মতে, অনেক সময় একটি সাধারণ উপলব্ধিই মানুষের জীবনে স্থায়ী পরিবর্তনের সূচনা করে। ক্যানবেরার সেই নৈশভোজের পর কোহলি শুধু মিষ্টি বা ভারী খাবার পরিহারই করেননি, বরং খাদ্যাভ্যাস ও দৈনিক জীবনযাত্রায় এনেছিলেন আমূল পরিবর্তন।
বর্তমানে বিরাটের এই ফিটনেস রূপান্তর বিশ্বজুড়ে অগণিত ক্রীড়াবিদ ও তরুণদের খাদ্যতালিকায় ভারসাম্য আনা এবং সুসংহত জীবনধারা অনুশীলনে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।
মন্তব্য করুন