হাফসা আক্তার : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের টাঙ্গাইল সফরকে ঘিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও আজমপুর এলাকায় নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছিলো।
এ সময় ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের নেতৃত্বে এখানকার ৭ থানার নেতাকর্মীরা বিমানবন্দর মহাসড়ক বিএনএস সেন্টার এলাকায় ভেনার ফেস্টুন হাতে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে মিছিল করেন।
নেতাকর্মীদের আনন্দ জোয়ার, মিছিল স্লোগানে বিমানবন্দর মহাসড়ক মুখরিত হয়ে উঠে।
প্রিয় নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত কয়েক হাজার নেতাকর্মীর সাথে করমর্দন করে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন (এমপি)।
সরেজমিনে দেখা যায়,
আজ সকাল ৯ টার পর পর প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী লাল সবুজের বিআরটিসি’র বুলেটপ্রুফ গাড়িটি উত্তরায় প্রবেশের সাথে সাথে কয়েক হাজার নেতাকর্মী তারেক রহমানের আগমন শুভেচ্ছা স্বাগতম, শুভেচ্ছা স্বাগতম তারেক রহমানের আগমন,
তারেক রহমান আসছে বাংলাদেশ হাঁসছে,জাহাঙ্গীর ভাইয়ের পক্ষ থেকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা এমন স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে বিমানবন্দর মহাসড়ক উত্তরা।
জানা যায়, পহেলা বৈশাখের এই বিশেষ দিনে তারেক রহমান টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে দেশব্যাপী ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করবেন ।
টাঙ্গাইলে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার জিয়ারত করবেন। এরপর শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষকদের মাঝে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের মাধ্যমে দেশব্যাপী ‘প্রি-পাইলটিং’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। সেখানে তিনি কৃষক সমাবেশে প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন। সমাবেশ শেষে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে ‘কৃষি মেলা’র উদ্বোধন করার কথা রয়েছে তাঁর।
আজ সকাল থেকে উত্তরার বিভিন্ন এলাকা থেকে আজমপুর ও বিএনএস সেন্টারে আসা ছাত্র দল নেতাকর্মীরা ও জড়ো হতে শুরু করেন।
তারা বলেন, মূলত টাঙ্গাইলে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে তারা বিমানবন্দর এলাকায় অবস্থান নিয়েছেন, যাতে করে তারা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে পারেন।”
এ ছাড়াও মূলদল, যুবদল, মহিলা দলের “নেতাকর্মীদের অনেকেই বলছেন, তারা সকাল থেকেই এখানে অবস্থান করছেন। কারো হাতে ব্যানার, কারো হাতে দলীয় পতাকা—সব মিলিয়ে পুরো এলাকায় উৎসবমুখর হয়ে উঠে।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে সড়কে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে তারা সতর্ক অবস্থানে ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে
“বিমানবন্দর সড়কে যানবাহনের চাপ কিছুটা বাড়তি ছিলো, বিশেষ করে এই এলাকায় সাধারণ যাত্রীদের চলাচলেও কিছুটা ধীরগতি ছিলো,তবে ট্রাফিক পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ করছেন। এর ফলে সড়কে কোন ধরনের যানজট সৃষ্টি হয় নি।
“সব মিলিয়ে বলা যায়, টাঙ্গাইলে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে ঢাকার বিমানবন্দর মহাসড়ক আজমপুর এলাকা নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে কয়েক ঘন্টার জন্য সরগরম হয়ে উঠেছিলো।
মন্তব্য করুন