সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা থানার (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মোহাম্মদ সহিদ উল্ল্যা কর্তৃক মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে আলেচিত পাইকুরহাটি ইউপির সুনই গ্রামের নাসিম হত্যা মামলার চার্জশিট থেকে মূল আসামী মেহেদী হাসান ডালি ও আনুসহ ০৯ জনের নাম বাদ দেয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভোক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
বুধবার দুপুরে সুনামগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটি’র হলরুমে এই সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্র মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় লিখিত বক্তব্যে পাঠ করেন নিহত নাসিমের সহধর্মিনী রূপসা আক্তার।
নিহত নাসিমের স্ত্রী রূপসা আক্তার কান্নাজড়িত কণ্ঠে তার লিখিত বক্তব্যে বলেন,ধর্মপাশা থানার ওসি সহিদ উল্যাহ ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম কর্তৃক মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিমিয়ে আসামীদের পক্ষে মামলার চার্জশিট দাখিল করেছেন বলে অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, আমার স্বামী হত্যাকান্ডের পর ন্যায় বিচারের আশায় আমি থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে প্রথমে ওসি মামলা নিতে অনীহা প্রকাশ করেন। হত্যাকান্ডের মূল অভিযুক্ত মেহেদী হাসান ডালি ও অলির নাম কেটে দিলে তিনি মামলা নিবেন বলে জানান। পরবর্তীতে স্থানীয় এমপির নির্দেশে মামলা নিলেও মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে তিনি ১১ জন আসামীর মধ্যে মূল আসামীসহ ০৯ আসামীর নাম বাদ দিয়ে চার্জশিট দাখিল করেন। আমি এ মামলাটি পুনঃতদন্তের জন্য সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সুনামগঞ্জের পুুিলশ সুপারের নিকট দাবী জানান। যারা আমার ছোট ছোট ৪টা সন্তানকে এতিম করেছে মামলার চার্জশিট থেকে বাদ পড়া প্রকুত খুনীদের চাজশিটে অন্তুভূক্ত করে তাদের অবিরম্বে গ্রেফতার করে ফাসিঁ কার্যকরের জন্য বর্তমান সরকারসহ প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে এ সময় উপস্থিত ছিলেন নিহতের বড়ভাই আলামিন ও স্বজনসহ স্বআরো অনেকেই।
মন্তব্য করুন