রাজধানীর কাফরুল থানার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে ২৪ জুলাই কাফরুল থানা যুবদলের সদস্য সচিব হাফিজুল ইসলাম বাবুর ওপর সন্ত্রাসীদের গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিনি প্রাণে বেঁচে গেলেও তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। পরে আহত যুবদল কর্মী ইউসুফ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
ঘটনার পর মামলাকে ভিন্নখাতে নেওয়ার জন্য একটি সামাজিক সংগঠনের নাম জড়ানোর অভিযোগ তুলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে, গুলিবর্ষণের সময় জনতার হাতে আটক চঞ্চল নামে এক ব্যক্তির বক্তব্যের ভিত্তিতে কাফরুল থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হাফিজ এবং তার কথিত গডফাদারকে গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়েছে।
হাফিজুল ইসলাম বাবু বলেন, “আমি প্রাণে বেঁচে গেছি, কিন্তু আমার সহযোদ্ধা ছোট ভাই ইউসুফ নিহত হয়েছে। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।”
উল্লেখ্য, হাফিজুল ইসলাম বাবু আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রায় চার থেকে পাঁচ বছর কারাবরণ করেন। বর্তমানে তিনি ৪ নম্বর ওয়ার্ডে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন এবং কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতাও এ ঘটনার সম্ভাব্য কারণ হতে পারে বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। তবে এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনো নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়।
মন্তব্য করুন