ওপেক প্লাস-এর সাতটি সদস্য দেশ রোববার বৈঠকে বসছে। ওপেক জোট থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) বেরিয়ে যাওয়ার পর, এটিই তাদের প্রথম বৈঠক।
বৈঠকে জোটটি তেল উৎপাদন কোটা পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানা গেছে।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে ইতোমধ্যেই তেলের দামে যে ঊর্ধ্বমুখী চাপ তৈরি হয়েছে, ইউএই-এর এই পদক্ষেপ সেটিকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ তেল উৎপাদক সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) গত ২৮ এপ্রিল ঘোষণা দেয় যে তারা পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংস্থা ওপেক ও সম্প্রসারিত ওপেক প্লাস জোট থেকে সরে যাচ্ছে।
উৎপাদন কোটার বিষয়ে অসন্তোষের কারণেই তারা এই সিদ্ধান্ত নেয়। এই প্রত্যাহার গত শুক্রবার থেকে কার্যকর হয়েছে।
আলজেরিয়া, ইরাক, কাজাখস্তান, কুয়েত, ওমান, রাশিয়া ও সৌদি আরবের অনলাইন বৈঠকে রোববার নতুন কোটা নির্ধারণ করা হবে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই প্রকাশ্যে প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে যৌথ বিবৃতির বিষয় নিয়ে সবার ব্যাপক আগ্রহ ও নজর থাকবে বলে মনে হচ্ছে।
উৎপাদনের এই সিদ্ধান্তটি ইতিমধ্যেই তেলের বাজারে প্রতিফলিত হয়েছে। গ্লোবাল রিস্ক ম্যানেজমেন্টের প্রধান বিশ্লেষক আর্নে লোম্যান রাসমুসেন বলেন, ব্যাপকভাবে আশা করা হচ্ছে যে সাতটি দেশ তাদের কোটা দৈনিক ১ লাখ ৮৮ হাজার ব্যারেল বাড়ানো হতে পারে।
হরমুজ প্রণালীর অবরোধের কারণে ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব ও ইউএই’র রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ইরান ও রাশিয়ার পরিস্থিতিও বৈশ্বিক বাজারে প্রভাব ফেলছে।
তাছাড়া, ইরাক ও কাজাখস্তানের মতো কিছু দেশের ভবিষ্যত অবস্থান নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, যারা প্রায়ই তাদের নির্ধারিত কোটা ছাড়িয়ে উৎপাদন করে বলে অভিযোগ রয়েছে।
মন্তব্য করুন