নিউজ ডেস্ক
১৮ ঘন্টা আগে
অনলাইন সংস্করণ
পাঠক সংখ্যা ২ জন

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার মধ্যে উপসাগরীয় অঞ্চল সফরে রুবিও

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের পর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা চলার মধ্যেই উপসাগরীয় দেশগুলো সফর শুরু করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।

বুধবার তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

ইরানের হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত উপসাগরীয় দেশগুলো সফরের অংশ হিসেবে রুবিও মঙ্গলবার রাতে আবুধাবি পৌঁছান। তিনি শেখ মোহাম্মদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন।

এরপর রুবিওর কুয়েত ও বাহরাইন যাওয়ার কথা রয়েছে। বৃহস্পতিবার সেখানে তিনি উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) বৈঠকে অংশ নেবেন। আবুধাবি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

ইরানের হাজার হাজার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হওয়া এই তিন দেশের প্রতি সংহতি জানাতেই রুবিওর এ সফর বলে মনে করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার রুবিও বলেন, তিনি উপসাগরীয় নেতাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া সমঝোতা স্মারক নিয়ে আলোচনা করবেন। তবে ওই সমঝোতায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও মিত্র গোষ্ঠীগুলোর বিষয় অন্তর্ভুক্ত নেই, যা দীর্ঘদিন ধরে উপসাগরীয় দেশগুলোর উদ্বেগের কারণ।

ওমান ও ইরান হরমুজ প্রণালীর মধ্য দিয়ে চলাচলের ক্ষেত্রে ‘খরচ’ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে বলে জানানোর পর রুবিও বলেন, কোনো দেশকে এ গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে টোল আরোপের অনুমতি দেওয়া হবে না।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানীতে পৌঁছে তিনি বলেন, ‘এটি একটি আন্তর্জাতিক নৌপথ। কোনো দেশ আন্তর্জাতিক নৌপথে টোল বা ফি নিতে পারে না। এটি বিদ্যমান আন্তর্জাতিক আইন।’

গত সপ্তাহে চুক্তি সই হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে কোনো শীর্ষ মার্কিন কর্মকর্তার এটাই প্রথম সফর।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উপসাগরীয় মিত্রদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি এ চুক্তি। এ নিয়ে উদ্বেগ দূর করতে যুক্তরাষ্ট্র তার ধনী উপসাগরীয় মিত্রদের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করছে।

জ্বালানি সমৃদ্ধ উপসাগরীয় অঞ্চল ফেব্রুয়ারি ২৮ তারিখে শুরু হওয়া যুদ্ধের সময় ইরানের পাল্টা হামলার বড় ধাক্কা সামলেছে। এখানে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।

ওই যুদ্ধ শুরু হয়েছিল ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২ হাজার ৮০০টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়, যা এ অঞ্চলের অন্য যে কোনো দেশের চেয়ে বেশি।

কুয়েত ও বাহরাইনও বড় ধরণের হামলার শিকার হয়েছে।

যুদ্ধ চলাকালে সংযুক্ত আরব আমিরাত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জোট আরও শক্তিশালী করেছে।

আঞ্চলিক নেতারা দীর্ঘদিন ধরে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন। তারা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে কোটি কোটি ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইরানের হামলার সময় যুক্তরাষ্ট্র তাদের ঝুঁকির মধ্যে ফেলে রেখেছিল বলে তারা এখন অবিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে ওয়াশিংটনকে নিয়ে সতর্ক হয়ে উঠেছে।

 

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

লালমোহনে খালখনন প্রকল্প এলাকায় জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

জনসেবার অঙ্গীকার নিয়ে শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ডাঃ মোঃ শামসুদ্দীন।

সুনামগঞ্জে শিশু একাডেমির উদ্যোগে রবীন্দ্র নজরুজ জয়ন্তী পালিত

মধুখালীতে  ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন অবহিতকরণ ও  পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত

পুলিশ লাইন্সে “বুদুম বাঁশ” চারা রোপণ করেন পুলিশ সুপার, দিনাজপুর মহোদয়”

নাচোলে ডিএনসির অভিযানে এস্কাফ সিরাপসহ গ্রেফতার ১

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ: চোখ হারাতে হলো আয়কর আইনজীবীকে!

বাগেরহাটে উপকূল জলবায়ু ও পরিবেশ মেলা অনুষ্ঠিত

ঢাবির সঙ্গে সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহী অস্ট্রেলিয়া

ইরান হরমুজ প্রণালীতে টোল না নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে : ট্রাম্প

১০

চট্টগ্রামে খাল দখলদারদের স্বেচ্ছায় সরে যেতে মেয়রের নির্দেশ

১১

বাংলাদেশের জন্য ৪৫০ মিলিয়ন ডলার অনুমোদন বিশ্বব্যাংকের

১২

সারের মজুত নিশ্চিত করতে ৬০ হাজার টন সার আমদানির অনুমোদন

১৩

কৃষিপণ্যের বাজার সম্প্রসারণে চট্টগ্রামে বিপণন কর্মশালা

১৪

তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে জলবায়ু-সহিষ্ণু করতে হবে: ডব্লিউএইচও

১৫

রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ১৩৭ কোটি টাকার চুক্তি

১৬

কুষ্টিয়ায় মাদক ও চোরাচালানি পণ্য উদ্ধার

১৭

জয়পুরহাটে ফল মেলার উদ্বোধন

১৮

অনলাইন জুয়াকে ফৌজদারি অপরাধের আওতায় আনা হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

১৯

শেরপুর পৌরসভার জন্য ৭১ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা

২০