নিউজ ডেস্ক
৩ ঘন্টা আগে
অনলাইন সংস্করণ
পাঠক সংখ্যা ৩ জন

প্রধানমন্ত্রী তারেক সাহেবের জামিনে সরাসরি ভূমিকা রেখেছি: আদালতে মামুন খালেদ

/১১–পরবর্তী সময়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জামিন হওয়ার বিষয়ে সরাসরি ভূমিকা রেখেছিলেন বলে দাবি করেছেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা শেখ মামুন খালেদ। মিরপুরে দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলার রিমান্ড শুনানিতে দেয়া স্বীকারোক্তিতে এ কথা বলেন।

 

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) ক্লিয়ারেন্স ছাড়া কোনো রাজনৈতিক আসমিকে ছাড়া হতো না বলে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন সংস্থাটির সাবেক মহাপরিচালক। তার এ বক্তব্যের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক মামলার বিচারপ্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের অভিযোগের সত্যতা উঠে এসেছে বলে দাবি করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

 

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রিমান্ড শুনানি হয়। শুনানি শেষে বিচারক পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

 

রিমান্ড শুনানিতে আদালতের অনুমতি নিয়ে মামুন খালেদ বলেন, ‘আমি ২০০৭ সালে ডিজিএফআই-এর জেএসএস (সিগনাল ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো) ফোর্সেসে যোগদান করি। যেখানে কমিউনিকেশন সংক্রান্ত দায়িত্বে ছিলাম। দায়িত্ব পালনের সময় বিভিন্ন মামলায় বেইল সংক্রান্ত বিষয়ে কাজ করেছি। সেসময় বিচারকদের সঙ্গে সরাসরি টেলিফোনে যোগাযোগ করে ক্লিয়ারেন্স দেওয়ার প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। আমাদের ক্লিয়ারেন্স ছাড়া কোনো সিদ্ধান্ত কার্যকর হতো না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর (তারেক রহমান) মামলায়ও বেইল (জামিন) সংক্রান্ত কাজ করেছি।’

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক কফিল উদ্দিন রিমান্ড আবেদনে বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে দেলোয়ার হোসেন (৪০) নিহত হওয়ার ঘটনায় গ্রেফতার সাবেক ডিজিএফআইপ্রধান শেখ মামুন খালেদের সম্পৃক্ততার প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে। মামলার তদন্ত, অন্য আসামিদের শনাক্তকরণ এবং ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের জন্য তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।’

 

এর আগে বুধবার রাতে রাজধানীর মিরপুরের ডিওএইচএস-এর বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

 

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকালে মিরপুর-১০ নম্বর ফলপট্টি এলাকায় আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার ওপর এজাহারভুক্ত আসামিসহ ৫০০-৭০০ জন সশস্ত্র ব্যক্তি হামলা চালায়। তারা বিভিন্ন দিক থেকে গুলি ছোড়ে। এতে দেলোয়ার হোসেন গুলিবিদ্ধ হন। প্রথমে তাকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে এবং পরে শ্যামলীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২১ জুলাই সকালে তার মৃত্যু হয়। পরে এ ঘটনায় নিহত দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী মোছা. লিজা ২০২৫ সালের ৬ জুলাই মিরপুর থানায় বাদী হয়ে মামলা করেন।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইরানের খার্গ দ্বীপ ‘খুব সহজেই’ দখল করতে পারি: ট্রাম্পের মন্তব্য

জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত ও পাচারের তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা পুরস্কার

রাশিয়ার রোস্তোভ অঞ্চলে ড্রোন হামলায় নিহত ১, আহত ৮

স্বাধীনতা দিবসের আলোচনায় আইনের শাসন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগের আহ্বান

বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে জাতীয়ভাবে কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে

দেশনেত্রীর স্নেহের ছায়া আমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি : মির্জা ফখরুল

ক্রীড়াকার্ড ও ভাতা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

জার্মানি সফরে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট, যুদ্ধ ও অভিবাসন ইস্যুতে আলোচনা

তাইওয়ানের বিরোধী দলের নেতাকে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানালেন সি জিনপিং

১০

রাশিয়া কিউবায় তেল পাঠালে আমার আপত্তি নেই: ট্রাম্প

১১

জাতীয় সংসদে বিশেষ কমিটির দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত

১২

ই- হেলথ কার্ড আনছে সরকার

১৩

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা : প্রতিটি কক্ষে সিসিটিভি স্থাপনসহ কেন্দ্র সচিবদের ১১ দফা নির্দেশনা

১৪

পাবনা প্রেসক্লাবের সদস্যদের সঙ্গে রাষ্ট্রপতির মতবিনিময়

১৫

প্রধানমন্ত্রী তারেক সাহেবের জামিনে সরাসরি ভূমিকা রেখেছি: আদালতে মামুন খালেদ

১৬

ডিএমপিতে তিন কর্মকর্তার পদায়ন, নতুন মুখপাত্র নাসিরুদ্দিন

১৭

আপনি কি এসি এবং ফ্যান একসাথে চালান

১৮

শাবিপ্রবির দুই হলে নতুন প্রভোস্ট নিয়োগ

১৯

এবার বিচ্ছেদ হলো মৌসুমী হামিদের

২০