স্টাফ রিপোর্টার,ময়মনসিংহ
দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন ত্রিশালের পরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সাবেক ছাত্রনেতা। ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব সফলভাবে পালন করার মাধ্যমে তিনি স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নিজের একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন। বর্তমানে তিনি ত্রিশাল উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন।
রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই তিনি জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী হয়ে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় রাজনীতি করে আসছেন। তিনি ত্রিশাল উপজেলা তারেক পরিষদের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ত্রিশাল পৌর শাখার সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। ছাত্ররাজনীতির বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ তাকে নেতাকর্মীদের মাঝে পরিচিত ও গ্রহণযোগ্য করে তোলে।
পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ত্রিশাল উপজেলা শাখার অঙ্গসংগঠন মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। রাজনৈতিক বিভিন্ন সংকটময় সময়ে দলের কর্মসূচি বাস্তবায়ন, নেতাকর্মীদের সংগঠিত করা এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, তিনি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থেকে কাজ করেছেন। রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে গিয়ে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও তার অংশগ্রহণ রয়েছে। বিশেষ করে তরুণদের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করা, সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় রাখা এবং দলীয় ঐক্য বজায় রাখতে তিনি ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
বর্তমানে ত্রিশাল উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবে তিনি নেতাকর্মীদের সমর্থন ও দোয়া কামনা করেছেন। তিনি বলেন, “দলের আদর্শ ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের ভালোবাসা নিয়েই আমি দীর্ঘদিন রাজনীতি করছি। সুযোগ পেলে যুবদলকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে কাজ করবো।”
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক এবং সাংগঠনিক দক্ষতার কারণে তিনি যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে একজন শক্তিশালী দাবিদার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
মন্তব্য করুন