জেলার প্রায় ৫০টি গ্রামের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা আজ ধুমধাম করে ঈদ উদযাপন করছেন। প্রায় দেড়শ’ বছরের ধারাবাহিকতায় এটা হয়ে আসছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুফি সাধক শাহ্ সুরেশ্বরীর প্রতিষ্ঠিত সুরেশ্বর পাক দরবার শরীফের দেশব্যাপী কয়েক লাখ ভক্ত ও অনুসারী রয়েছে। ১৯২৮ সাল থেকে এই দরবারের অনুসারীরা নিজস্ব পদ্ধতির গণনায় চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে একদিন আগে ঈদ পালন করে আসছেন।
জেলার ৫০টি গ্রামে মুসল্লীরা নিজ নিজ এলাকায় ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেন। প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও ঈদের প্রধান জামাত সকাল ১০টায় দরবার শরীফ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন শাহ্ সুফী সৈয়দ বেলাল নূরী (রহ:)। দরবার শরীফের পাশের মসজিদে পৃথক আর একটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে দূরদূরান্ত থেকে আগত নারী-পুরুষ নির্বিশেষে প্রায় দুই হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করে।
শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর, কেদারপুর, চাকধ, চণ্ডীপুর, ঘড়িষার, ভেদরগঞ্জ উপজেলার লাকার্তা, পাপরাইল, সখিপুরসহ অন্তত ৫০টি গ্রামের মুসল্লী ঈদের খুশীতে ভাসছেন।মধ্যেপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল করে এই ঈদ উদযাপনের জনশ্রুতি থাকলে বিষয়টির সঙ্গে একমত নন সুরেশ্বর দরবার শরীফে পীর শাহ্ সুফী সৈয়দ বেলাল নূরী (রহ:)। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে নয়, চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে আমরা ঈদ উদযাপন করে থাকি। বিষয়টি নিয়ে আগের মতই ব্যাপক আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন