লালমোহন প্রতিনিধি:
ভোলার লালমোহনে ভুল তথ্যের ভিত্তিতে অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন লালমোহন ইউনিয়নের বাসিন্দা ইয়ামিন নোমান নামে এক যুবক। সম্প্রতি সোস্যাল মিডিয়ায়— লালমোহনে বিবাহিত প্রেমিকার বাড়িতে গিয়ে আ/ট/ক ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি পদপ্রার্থী, লালমোহনে বিবাহিত প্রেমিকার বাড়িতে পরকীয়া করতে গিয়ে ইউনিয়ন ছাত্রদল সভাপতি পদপ্রার্থী হাতেনাতে আটক প্রভৃতি শিরোনামে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। যার প্রেক্ষিতে ইয়ামিন নোমান এ প্রতিবাদ জানান।
প্রতিবাদ লিপিতে ইয়ামিন নোমান বলেন, আমি ছাত্রদলের ইউনিয়ন সভাপতি বা অন্যকোনো পদের প্রার্থী নয়। এ তথ্যটি সম্পূর্ণ ভুল, মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। একটি কুচক্রী মহল সাংবাদিক ভাইদের ভুল তথ্য দিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে এ ভিডিওটা ভাইরাল করিয়েছে। ভিডিওতে আমার এবং আমার স্ত্রী দুজনেরই ছবি আছে। মূলত ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি যিনি তিনি আমার বড়ো ভাই।
ইয়ামিন আরো বলেন, গত ১৪ এপ্রিল আমি বৈধভাবে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। তবে বিষয়টি আমার ভাই বা আমার পরিবারের কেউ জানে না। সম্প্রতি কিছু কুচক্রী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার, আমার ভাইয়ের ও আমার পরিবারের মানসম্মান ক্ষুণ্ন করার জন্য বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার করছে। এসব তথ্যের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো সম্পর্ক নেই। আমি এ ধরনের অপপ্রচার ও গুজবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
ইয়ামিন বলেন, আমি ছোটোখাটো ব্যবসা করি, লেখাপড়া করি এবং কম্পিউটারের কাজ করি। প্রায় দুই মাস আগে আমি আমার শ্বশুর বাড়িতে গেলে সেখানে পরিবারের লোকজনের সাথে একটু ভুল বুঝাবুঝি হয় এবং বাকবিতন্ডা হয়। গোপনে কেউ ভিডিও করে রেখে দুই মাস পরে সেই ভিডিও আপলোড করে আমাদের সম্মানহানির জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। বিবাহিত স্ত্রীর বাড়িতে গেলে যদি পরকীয়া হয় এরচেয়ে লজ্জাজনক আর কী হতে পারে। আমাদের বিয়ের কাবিন আছে। আমরা বৈধ স্বামী স্ত্রী।
এ ঘটনায় ইয়ামিন ও তার স্ত্রী তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। সেই সঙ্গে পোস্ট ডিলিট করার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করেন।
মন্তব্য করুন