| |

Ad

কোমর ও পিঠের ব্যথায় করণীয়

আপডেটঃ 3:12 am | March 23, 2019

ডেস্ক নিউজঃ কোমর ও পিঠব্যথা বর্তমানে বেশ পরিচিত একটি সমস্যা। বলা যায়, এ সমস্যায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এ ধরনের ব্যথার কারণগুলো মেরুদণ্ড এবং সহায়তাকারী মাংসপেশি থেকে উৎপন্ন হতে পারে। আবার শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলো যাদের স্নায়ু সরবরাহের কিছু শাখা পিঠে বিস্তৃত, সেখান থেকেও পিঠব্যথা হতে পারে। শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলোর কিছু সমস্যা দেখা দেওয়ায় পিঠের নিচের অংশে ব্যথা হতে পারে।

দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকলেও এ সমস্যা হতে পারে। তাই দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকা যাবে না। তবে দীর্ঘ সময় দাঁড়ানোর প্রয়োজন হলে একটি পা প্ল্যাটফর্মের ওপরে কিংবা টুলের ওপরে রেখে দাঁড়াতে হবে।

চেয়ারে বসে কাজ করার সময় কিংবা চেয়ারে বসে থাকার সময় চেয়ারটি আপনার পিঠকে ঠিকমতো সাপোর্ট দিতে না পারলে চেয়ার ও আপনার পিঠের মাঝখানের ফাঁকা জায়গা পূরণে কুশন ব্যবহার করুন।

ঘুমানোর সময় কিছু সতর্কতা অবলম্বন করুন। শক্ত তোশক বা জাজিমের ওপর ঘুমান। মুখ নিচের দিকে রেখে ঘুমাবেন না। চিৎ হয়ে ঘুমান। পাশ ফিরে ঘুমাতে চাইলে সেই পাশে একটি হাঁটু সামান্য বাঁকা করে ঘুমাবেন।

কোমর ও পিঠব্যথা প্রতিরোধে পেট ও পিঠের মাংসপেশিকে সবল রাখতে নিয়মিত কিছু ব্যায়াম করতে হবে। এসব ব্যায়ামের প্রতিটি ১০ বার করতে হবে। মাংসপেশির সবলতা বাড়লে ব্যায়ামের পরিমাণ বাড়ানো যাবে। তবে কোনো ব্যায়ামে ব্যথা হলে তা বন্ধ রাখতে হবে।

ব্যায়াম: হাঁটু বাঁকা করে চিৎ হয়ে শুতে হবে। পেটের মাংসপেশিগুলো সংকুচিত করে পিঠকে মেঝের বিপরীতে চাপ দিতে হবে। মনে মনে পাঁচ পর্যন্ত গুনে এর পর শিথিল করতে হবে। হাঁটু বাঁকা করে চিৎ হয়ে শুতে হবে। যতদূর পারা যায়, মাথা ও কাঁধ ওপরের দিকে তুলতে হবে। মনে মনে পাঁচ পর্যন্ত গুনে এর পর শিথিল করতে হবে। উপুড় হয়ে শুতে হবে। ডান পা সোজা রেখে যতদূর সম্ভব ওপরে তুলতে হবে। মনে রাখতে হবে, এ সময় হাঁটু কিছুতেই ভাঁজ করা যাবে না। এরপর ধীরে ধীরে পা নামাতে হবে। একইভাবে বাঁ পা ওপরে তুলতে হবে। প্রতি পায়ের জন্য পাঁচবার করতে হবে।

সর্বোপরি এ ধরনের সমস্যায় আক্রান্ত হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ সেবন ও ব্যায়াম করুন।