| |

Ad

শিশুদের বইয়ের বোঝা কমাতে হবে : তথ্যমন্ত্রী

আপডেটঃ 1:06 pm | March 01, 2019

চট্টগ্রাম ব্যুরো : বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং সরকারের তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। শিশুদের কোন কাজে বাধ্য না করে মননের বিকাশ ঘটাতে হবে। শিশুদের দেশাত্ববোধ, মূল্যবোধ ও মেধার সমন্বয় ঘটিয়ে উন্নত জাতি গঠন করতে হবে।
তথ্যমন্ত্রী শুক্রবার চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমিতে বাংলাদেশ মানবাধিকার কাউন্সিল, চট্টগ্রাম জেলা আয়োজিত “শিশু অধিকার : প্রেক্ষিত হালের বাংলাদেশ ও আমাদের করণীয়” শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, বাংলাদেশ মানবাধিকার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক ডিআইজি মোস্তফা জামাল উদ্দিন আল আজাদ, প্রফেসর হামিনা জাকারিয়া বেলা বক্তব্য রাখেন।
এ সময় তথ্যমন্ত্রী শিশুদের ওপর থেকে বইয়ের বোঝা কমানোর উপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, বইয়ের বোঝা কমাতে শিক্ষাবিদদের এগিয়ে আসতে হবে। এখন আমাদের শিশুদের চেয়ে তাদের বইয়ের ওজন বেশি। এটা কমাতে হবে। আরেকটা খুব খারাপ ব্যাপার চালু আছে আমাদের দেশে। প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি হতে শিশুদের ৪ বছর পড়া লাগছে।
এসব তাদের মেধা বিকাশের পথে বাড়তি চাপ। এসবের অবসান হওয়া দরকার।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশকে যে স্বপ্নের ঠিকানায় এগিয়ে নিতে চান সেই স্বপ্ন পূরণ করতে আমাদের একটা সৃজনশীল ও মেধাবী প্রজন্ম দরকার। এজন্য শিশুদের মেধাচর্চা, দেশাত্মবোধ ও মানবিকতার শিক্ষা দিয়ে তাদের মননশীল করে তুলতে হবে। তাহলে শুধু স্বপ্ন পূরণ নয় বরং তারা স্বপ্নের সীমানাও ছাড়িয়ে যাবে। শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, শিশু অধিকার বলতে আমরা শিশুশ্রম, পথশিশু, সুবিধাবঞ্চিত শিশু এই কয়েকটা বিষয়কেই ভাবি। কিন্তু ব্যাপারটা আরো বিস্তৃত। এমনকি আমার ঘরে যে শিশু আছে তারও একটা অধিকার আছে। আমাদের সবাইকে নিয়ে ভাবতে হবে।
তিনি বলেন, আমরা শিশুদের উপর আমাদের ইচ্ছা অনিচ্ছা চাপিয়ে দিই। এটা সমীচীন নয়। আমরা তাদের উদ্বুদ্ধ করতে পারি, তাদের বাধ্য করতে পারি না।
তিনি আরও বলেন, অভিভাবকদের অসচেতনতায় শিশুরা আত্মকেন্দ্রিক হয়ে যাচ্ছে। এই আত্মকেন্দ্রিক-চিন্তাচর্চা থেকে বের হয়ে দেশ ও সমাজের জন্য কিছু করার চিন্তা তাদের মধ্যে বুনে দিতে হবে। তা করতে না পারলে দেশ এগুবে না।